যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘদিনের স্নায়ুযুদ্ধ এবার সরাসরি সংঘাতের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে নতুন একটি চুক্তিতে আসার জন্য মাত্র ১০ দিনের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন। গতকাল (১৯ ফেব্রুয়ারি) গাজার 'বোর্ড অব পিস' সম্মেলনে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি এই হুঁশিয়ারি দেন।
ট্রাম্পের আলটিমেটাম: আগামী ১০ দিনের মধ্যে ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত মেনে চুক্তিতে আসতে হবে। অন্যথায় 'ভয়াবহ পরিণতি' ভোগ করতে হবে বলে হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প।
ইরানের পাল্টা হুঁশিয়ারি: ট্রাম্পের হুমকির জবাবে ইরান সাফ জানিয়ে দিয়েছে, তাদের ভূখণ্ডে কোনো ধরনের আক্রমণ হলে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সকল সামরিক ঘাঁটি ও অবকাঠামোতে একযোগে পাল্টা হামলা চালানো হবে। জাতিসংঘ মহাসচিবের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এই অবস্থানের কথা জানায় তেহরান।
যুক্তরাষ্ট্রের কৌশল: ওয়ালস্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওয়াশিংটন প্রথমে ইরানের সরকারি ভবন ও নিরাপত্তা স্থাপনায় সীমিত আকারে হামলা চালিয়ে তাদের চাপে ফেলার পরিকল্পনা করছে। তাতে কাজ না হলে সরাসরি সরকার পতনের লক্ষ্যে ব্যাপক আক্রমণের ছকও তৈরি রাখা হয়েছে।
ইরান যুদ্ধ এড়াতে চাইলেও আত্মরক্ষার স্বার্থে যেকোনো পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত বলে দাবি করেছে। অন্যদিকে, মার্কিন গণমাধ্যমগুলোর দাবি—চাপ প্রয়োগের মাধ্যমেই ইরানকে পরমাণু ইস্যুতে নমনীয় করতে চায় ট্রাম্প প্রশাসন।
ইরানের স্থায়ী দূতের বক্তব্য: "আমরা যুদ্ধ চাই না, কিন্তু আক্রান্ত হলে আমাদের পাল্টা আঘাত হবে প্রচণ্ড। এর ফলে উদ্ভূত সব পরিস্থিতির দায়ভার যুক্তরাষ্ট্রকেই নিতে হবে।"
এসআর
মন্তব্য করুন: