আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে হাই-ভোল্টেজ ম্যাচটি বয়কট করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত
নিয়েছে পাকিস্তান। গতকাল (৪ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ এই সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানান।
১. কেন এই বয়কট?
পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এটি মূলত বাংলাদেশের প্রতি সংহতি প্রকাশের একটি পদক্ষেপ। নিরাপত্তা ইস্যুতে ভারতে গিয়ে খেলতে অস্বীকৃতি জানানোয় আইসিসি বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে। পাকিস্তান শুরু থেকেই বাংলাদেশের এই দাবির পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল।
২. প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফের বক্তব্য
তিনি বলেন, "খেলার মাঠে কোনো রাজনীতি হওয়া উচিত নয়। আমরা বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছি এবং তাদের প্রতি সংহতি জানিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।"
তিনি এই সিদ্ধান্তকে 'বিবেচনাপ্রসূত' এবং 'উপযুক্ত' বলে উল্লেখ করেছেন।
৩. ম্যাচের সময় ও স্থান
আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে শ্রীলঙ্কার কলম্বোতে ভারত ও পাকিস্তানের এই ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে পাকিস্তান ইতিমধ্যে জানিয়ে দিয়েছে তারা এই ম্যাচে মাঠে নামবে না।
৪. আইসিসি-র সতর্কবার্তা
ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি পাকিস্তানের এই 'নির্বাচনমূলক অংশগ্রহণের' (Selective Participation) সিদ্ধান্তে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে যে, পূর্বনির্ধারিত ম্যাচ না খেললে পাকিস্তানকে বড় ধরনের আর্থিক জরিমানা ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থার মুখোমুখি হতে হতে পারে।
বাংলাদেশের বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যাওয়ার প্রতিবাদে পাকিস্তান ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ না খেলার যে কঠোর অবস্থান নিয়েছে, তা বিশ্ব ক্রিকেটে এক নতুন অস্থিরতার সৃষ্টি করেছে।
এসআর
মন্তব্য করুন: