সাম্প্রতিক কূটনৈতিক উত্তেজনা ও সামরিক হুমকির আবহে আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
তুরস্কের ইস্তাম্বুলে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তারা।
মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কিছু দেশের মধ্যস্থতায় এই আলোচনার পথ প্রশস্ত হয়েছে।
বৈঠকের মূল তথ্যসমূহ:
তারিখ ও স্থান: ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ইস্তাম্বুল, তুরস্ক।
প্রধান প্রতিনিধি:
যুক্তরাষ্ট্র: প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ।
ইরান: দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাগচি।
মধ্যস্থতাকারী দেশসমূহ: মিশর, কাতার, তুরস্ক ও ওমান।
অংশগ্রহণকারী অন্যান্য দেশ: সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমানের কর্মকর্তারাও এই আলোচনায় উপস্থিত থাকবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
আলোচনার প্রধান এজেন্ডা ও
১. পরমাণু কর্মসূচি: বৈঠকের প্রধান লক্ষ্য ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দীর্ঘ দুই দশকের তিক্ততা নিরসন করা।
২. যুদ্ধবিরতি ও উত্তেজনা: গত বছরের জুনে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ইরানের ১২ দিনের সংক্ষিপ্ত যুদ্ধের পর এক অস্থির যুদ্ধবিরতি চলছিল। সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নৌবহর মোতায়েন এবং ট্রাম্পের কড়া হুঁশিয়ারিতে যুদ্ধের আশঙ্কা নতুন করে দানা বাঁধে।
৩. ট্রাম্পের অবস্থান: প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন তিনি একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে আগ্রহী, তবে চুক্তি না হলে "ভয়াবহ কিছু ঘটবে" বলে সতর্ক করেছেন।
৪. ইরানের শর্ত: পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি একটি সুষ্ঠু ও ন্যায়সঙ্গত চুক্তির প্রস্তাব দেয়, তবেই তারা আলোচনায় আগ্রহী। তবে তারা স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র বা প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে কোনো আপস করা হবে না।
এই বৈঠকটি ২০২৫ সালের যুদ্ধের পর দুই দেশের কর্মকর্তাদের মধ্যে প্রথম সরাসরি এবং আনুষ্ঠানিক উচ্চপর্যায়ের আলোচনা হতে যাচ্ছে।
এসআর
মন্তব্য করুন: