ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনার পারদ আরও চড়ল। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা
আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি সতর্ক করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানে কোনো ধরনের সামরিক হামলা চালায়, তবে তা কেবল দুই দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং তা একটি আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নিতে পারে।
মূল পয়েন্টগুলো:
হুমকির জবাব: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকির বিপরীতে খামেনি বলেন, মার্কিন রণতরী মোতায়েন দেখে ইরানি জাতি ভীত নয়। তিনি স্পষ্ট করেন, ইরান যুদ্ধের সূচনাকারী হবে না, তবে আক্রান্ত হলে তারা কঠোর জবাব দেবে।
সামরিক অবস্থান: বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিমানবাহী রণতরীসহ ছয়টি ডেস্ট্রয়ার ও তিনটি লিটোরাল কমব্যাট জাহাজ মোতায়েন রয়েছে, যা তেহরানের ওপর চাপ সৃষ্টির কৌশল হিসেবে দেখছে ওয়াশিংটন।
বিক্ষোভ ও হতাহত: গত বছরের ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংকটের জের ধরে ইরানে যে বিক্ষোভ হয়েছে, তাতে ব্যাপক প্রাণহানি ঘটেছে।
ইরান সরকারের দাবি: নিহতের সংখ্যা ৩,১১৭ জন।
মানবাধিকার সংস্থা (HRANA): তাদের মতে সংখ্যাটি ৬,৭১৩ জনেরও বেশি।
কূটনৈতিক পথ: চরম উত্তেজনার মাঝেও ইরান জানিয়েছে, তারা তাদের প্রতিরক্ষামূলক সক্ষমতা অক্ষুণ্ণ রেখে একটি 'ন্যায্য' আলোচনার জন্য প্রস্তুত।
রয়টার্স বা অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থা এখন পর্যন্ত নিহতের সঠিক সংখ্যা স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি। এই পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতাকে বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।
এসআর
মন্তব্য করুন: