ইরানের পক্ষ থেকে সাম্প্রতিক এই হুঁশিয়ারিগুলো মূলত মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি এবং
সম্ভাব্য ইসরায়েলি হামলার আশঙ্কায় দেওয়া হয়েছে।
আলী শামখানির বক্তব্য: ইরানের সর্বোচ্চ নেতার উপদেষ্টা আলী শামখানি স্পষ্ট করেছেন যে, ইরানে কোনো হামলা হলে এর জবাব সরাসরি ইসরায়েলের ভূখণ্ডের গভীরে দেওয়া হবে। তিনি দাবি করেছেন, শত্রুদের (যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল) পরিকল্পনা তেহরানের নখদর্পণে রয়েছে।
জেনারেল আমির হাতামির সতর্কবার্তা: ইরানের সেনাপ্রধান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, শত্রুরা কোনো ভুল করলে তা কেবল ইরানের নয়, বরং পুরো অঞ্চলের এবং বিশেষ করে ইসরায়েলের নিরাপত্তা বিপন্ন করবে।
সামরিক প্রস্তুতি: ইরান জানিয়েছে তাদের সশস্ত্র বাহিনী বর্তমানে "সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায়" এবং "সম্পূর্ণ প্রতিরক্ষামূলক প্রস্তুতিতে" রয়েছে।
বর্তমান পরিস্থিতির প্রেক্ষাপট
এই উত্তেজনার পেছনে কয়েকটি প্রধান কারণ রয়েছে:
ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনের উপস্থিতি: পারস্য উপসাগর ও সংলগ্ন এলাকায় যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী মোতায়েন করার পর থেকেই সংঘাতের আশঙ্কা তীব্র হয়েছে।
অভ্যন্তরীণ বিক্ষোভ: ইরানে দীর্ঘস্থায়ী সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দমনে সরকারের কঠোর অবস্থানকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক চাপ ও সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকি বৃদ্ধি পেয়েছে।
পাল্টা হামলার হুমকি: ইরান আগে থেকেই সতর্ক করেছে যে, আক্রান্ত হলে তারা কেবল ইসরায়েল নয়, বরং ওই অঞ্চলে থাকা মার্কিন ঘাঁটি ও জাহাজগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু করবে।
এই ধরনের ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সংবাদগুলো দ্রুত পরিবর্তিত হয়। ইরানের এই অবস্থান মূলত একটি "প্রতিরোধমূলক কৌশল" (Deterrence Strategy) হিসেবে দেখা হচ্ছে, যাতে প্রতিপক্ষ হামলার সিদ্ধান্ত নেওয়া থেকে পিছিয়ে আসে।
এসআর
মন্তব্য করুন: