বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বাণিজ্য সম্পর্ক আরও জোরদার
করতে পারস্পরিক শুল্ক হ্রাসের প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ। ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত জেমিসন গ্রিয়ারের সঙ্গে এক বৈঠকে এ প্রস্তাব তুলে ধরেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান।
বৃহস্পতিবার বিকেলে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে ড. খলিলুর রহমান দুই দেশের বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে বাংলাদেশ যে অগ্রগতি অর্জন করেছে, তা তুলে ধরেন। তিনি জানান, আনুষ্ঠানিক বাণিজ্য চুক্তি সম্পূর্ণ বাস্তবায়নের আগেই যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে বাংলাদেশ, যার ফলে ঘাটতি কমেছে।
বর্তমানে বিদ্যমান প্রায় ২০ শতাংশ পারস্পরিক শুল্ক কমানোর বিষয়ে তিনি মার্কিন পক্ষকে বিবেচনার আহ্বান জানান। বিশেষ করে মার্কিন কাঁচামাল ব্যবহার করে তৈরি পোশাক পণ্যে শুল্ক হ্রাস বা সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের প্রস্তাব দেন তিনি। এ বিষয়ে রাষ্ট্রদূত গ্রিয়ার ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেন এবং প্রস্তাবগুলো গুরুত্বসহকারে পর্যালোচনার আশ্বাস দেন।
উভয় পক্ষ দ্রুত সময়ের মধ্যে অমীমাংসিত বিষয়গুলো নিষ্পত্তি করে পারস্পরিক শুল্ক চুক্তি চূড়ান্ত করার ব্যাপারে একমত হয়।
আলোচনায় ড. খলিলুর রহমান বলেন, বাণিজ্য সম্প্রসারণের মাধ্যমে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও গভীর হবে। পাশাপাশি সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশকে মার্কিন ভিসা বন্ড কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের যাতায়াত সহজ করতে সহযোগিতার আহ্বান জানান।
এছাড়া বাংলাদেশের বেসরকারি খাতে যুক্তরাষ্ট্রের ডেভেলপমেন্ট ফাইন্যান্স করপোরেশনের (ডিএফসি) তহবিল নিশ্চিত করার অনুরোধ জানালে মার্কিন প্রতিনিধি এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন।
বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
এসআর
মন্তব্য করুন: