ইরানের চলমান বিক্ষোভ পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি বা
পরোক্ষভাবে জড়াতে পারে—এমন আলোচনা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে জোরালো হচ্ছে। ইসরায়েলের একটি সংবাদমাধ্যম এবং যুক্তরাষ্ট্রের একজন প্রভাবশালী আইনপ্রণেতার বক্তব্য থেকে এমন ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।
সম্প্রতি ইরানে জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। টানা কয়েক দিন ধরে দেশটির বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ চলছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতিকে ঘিরে আন্তর্জাতিক শক্তিগুলো নতুন করে অবস্থান নিতে পারে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকান সিনেটর ও সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সহযোগী লিন্ডসে গ্রাহাম একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানে ‘মেক ইরান গ্রেট অ্যাগেইন’ লেখা ক্যাপ পরে বক্তব্য দেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ২০২৬ সাল ইরানের জন্য বড় পরিবর্তনের বছর হতে পারে।
এর আগে ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছিলেন, ইরানে বিক্ষোভ দমনে সহিংসতা হলে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারে। তবে পরে তিনি ইরানের পরিবর্তে ভেনেজুয়েলায় সামরিক অভিযানের নির্দেশ দেন, যার মাধ্যমে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করা হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞার ফলে ইরানের মুদ্রার বড় ধরনের অবমূল্যায়ন হয়েছে। এতে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা আরও কঠিন হয়ে পড়েছে এবং অর্থনৈতিক চাপ থেকেই সাম্প্রতিক বিক্ষোভের সূত্রপাত হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
ভেনেজুয়েলার ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ নিয়েও নানা জল্পনা শুরু হয়েছে। কিছু বিশ্লেষকের ধারণা, লাতিন আমেরিকা ও ইউরোপের কয়েকটি অঞ্চলেও যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত তৎপরতা বাড়তে পারে।
এসআর
মন্তব্য করুন: