নতুন বছর উপলক্ষে দেওয়া ভাষণে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং
তাইওয়ানের সঙ্গে চীনের একত্রীকরণের বিষয়ে আবারও জোরালো অবস্থান জানান। তিনি বলেন, চীনের ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষা ও পুনর্মিলন একটি স্বাভাবিক ও ঐতিহাসিক প্রক্রিয়া, যা শেষ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হবে।
বর্তমানে তাইওয়ান নিজস্ব প্রশাসনের মাধ্যমে পরিচালিত হলেও বেইজিং বরাবরই দ্বীপটিকে চীনের অংশ বলে দাবি করে আসছে। চীনা নেতৃত্ব অতীতেও জানিয়েছে, প্রয়োজনে সামরিক শক্তি ব্যবহার করেও এই লক্ষ্য অর্জন করা হতে পারে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলোর গোয়েন্দা সংস্থাগুলো চীনের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধিকে উদ্বেগের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে। তাদের মতে, পরিস্থিতি অনুকূলে মনে হলে চীন তাইওয়ানকে লক্ষ্য করে বড় ধরনের সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারে।
সম্প্রতি চীনের সেনাবাহিনী তাইওয়ান ঘিরে ব্যাপক সামরিক মহড়া চালায়। এতে নৌ, স্থল ও বিমানবাহিনীর সমন্বিত অভিযান অনুশীলন করা হয়, যেখানে দ্বীপটির বন্দর ও যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন করার কৌশল অন্তর্ভুক্ত ছিল। এই মহড়ায় বিপুল সংখ্যক যুদ্ধবিমান অংশ নেয়, যা সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে অন্যতম বড় বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তাইওয়ানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মহড়ার সময় তাদের আশপাশের সমুদ্র এলাকায় একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। যদিও চীন মহড়া শেষ হওয়ার ঘোষণা দিয়েছে, তবুও তাইওয়ান কর্তৃপক্ষ সতর্ক অবস্থান বজায় রেখেছে। কারণ এখনো চীনের নৌ ও কোস্টগার্ড জাহাজ এবং নজরদারি কার্যক্রম দ্বীপটির আশপাশে সক্রিয় রয়েছে।
এসআর
মন্তব্য করুন: