ক্যানসার রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়লেও, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও সুবিধা সেভাবে বাড়েনি। তবে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও পালিত হচ্ছে বিশ্ব ক্যানসার দিবস।
বিশ্ব ক্যানসার দিবস প্রতি বছর ৪ ফেব্রুয়ারি পালন করা হয়। এর সূচনা হয় ২০০০ সালে প্যারিসে ক্যানসারবিষয়ক এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের মাধ্যমে। এই দিবসটি পালনের মূল উদ্দেশ্য হলো ক্যানসার বিষয়ে সচেতনতা তৈরি এবং প্রাথমিক পর্যায়ে এই রোগ শনাক্তে জনসাধারণকে উদ্বুদ্ধ করা। দিবসটি আয়োজনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ইউনিয়ন ফর ইন্টারন্যাশনাল ক্যানসার কন্ট্রোল (ইউআইসিসি)।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ক্যানসার বিশ্বে মৃত্যুর দ্বিতীয় বৃহত্তম কারণ। প্রতিবছর প্রায় এক কোটি মানুষ এই মারণব্যাধিতে প্রাণ হারায়। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সচেতনতা এবং সঠিক জীবনযাপনের মাধ্যমে ক্যানসারের ঝুঁকি কমানো সম্ভব।
ক্যানসার রোগতত্ত্ববিদ অধ্যাপক ডা. হাবিবুল্লাহ তালুকদার বলেন, বিশ্বায়নের ফলে দেশে ফাস্ট ফুড, জাঙ্ক ফুড এবং ক্যান ফুডের ব্যবহার বেড়েছে। এসব খাবারে চিনি, লবণ ও ট্রান্সফ্যাট থাকে, যা ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়। এ ধরনের খাবার হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের কারণও হতে পারে।
তিনি আরও জানান, ক্যানসার প্রতিরোধে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার গ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শাকসবজি, ফলমূল এবং আঁশযুক্ত খাবার গ্রহণে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
গ্লোবোক্যানের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় ২ লাখ ৭১ হাজার মানুষ ক্যানসারে আক্রান্ত।
বিশ্ব ক্যানসার দিবস পালনের উদ্দেশ্য হলো মানুষকে এই রোগ সম্পর্কে সচেতন করা, সঠিক সময় চিকিৎসা গ্রহণে উৎসাহ দেওয়া এবং রোগীদের পাশে দাঁড়ানো।
এসআর
মন্তব্য করুন: