শক্তি ও কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি: দুধে থাকা প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম শরীরের শক্তি বাড়ায় এবং দৈনন্দিন
কাজের গতি বজায় রাখতে সাহায্য করে।
পুষ্টির ঘাটতি পূরণ: শরীর যখন ক্লান্তি বা অসুস্থতার মধ্য দিয়ে যায়, তখন দুধ প্রয়োজনীয় পুষ্টির জোগান দিয়ে দ্রুত সুস্থ হতে সহায়তা করে।
হাড় ও দাঁত মজবুত করা: নিয়মিত দুধ পান হাড়ের ঘনত্ব ঠিক রাখে এবং বয়সজনিত হাড়ের ক্ষয় রোধে কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
বিকাশ ও বৃদ্ধি: শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের শারীরিক গঠন এবং মেধা বিকাশের জন্য দুধ একটি অপরিহার্য পুষ্টি উপাদান।
মানসিক প্রশান্তি: সারাদিনের ব্যস্ততা শেষে এক গ্লাস হালকা গরম দুধ শরীরকে শিথিল করে এবং ভালো ঘুমে ও মানসিক প্রশান্তিতে সাহায্য করে।
সুষম খাদ্যের অংশ: শরীরের দৈনন্দিন পুষ্টি চাহিদা মেটাতে নিয়মিত খাদ্য তালিকায় দুধ রাখা একটি বুদ্ধিমান সিদ্ধান্ত।
নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা: নারীদের শরীরে বিশেষ করে ক্যালসিয়ামের অভাব পূরণে এবং হাড়ের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় দুধ অত্যন্ত কার্যকর।
বিশেষজ্ঞের পরামর্শ: মনে রাখবেন, দুধ কোনো নির্দিষ্ট রোগের ওষুধ নয়, বরং এটি একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর পরিপূরক খাদ্য। পরিমিত এবং নিয়মিত দুধ পান আপনাকে ভেতর থেকে সতেজ ও সুস্থ রাখতে সহায়তা করবে।
এসআর
মন্তব্য করুন: