আজ ২৪ জানুয়ারি, ‘আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবস’। বিশ্বজুড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও টেকসই উন্নয়নের
লক্ষ্যে শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরতে প্রতিবছর এই দিবসটি পালিত হয়। ২০২৬ সালে দিবসটির মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে— ‘শিক্ষার যৌথসৃষ্টিতে তরুণদের শক্তি’।
দিবসের প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব:
ঘোষণা: ২০১৮ সালের ৩ ডিসেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ২৪ জানুয়ারিকে আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
মূল লক্ষ্য: শিক্ষা যে মানবিক অগ্রগতি এবং বিশ্বশান্তির প্রধান ভিত্তি, তা বিশ্ববাসীকে স্মরণ করিয়ে দেওয়া। বাংলাদেশে এই দিবসটি জাতীয় ইউনেস্কো কমিশন (বিএনসিইউ) ও ইউনেস্কো ঢাকা অফিসের যৌথ উদ্যোগে উদযাপিত হচ্ছে।
বাংলাদেশে আয়োজন:
আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবস উপলক্ষে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহযোগিতায় ঢাকার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে বিশেষ আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
প্রধান অতিথি: শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার।
বিশেষ দিক: এবারের আয়োজনে তরুণদের কণ্ঠস্বরকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এর আগে গত ২০ জানুয়ারি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটি ‘মুক্ত সংলাপ’ অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের ভবিষ্যৎ শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে নিজস্ব ভাবনা ও সমস্যার কথা তুলে ধরেন। আজকের মূল অনুষ্ঠানেও সেই তরুণ প্রতিনিধিদের অভিজ্ঞতাগুলো গুরুত্বের সাথে শোনা হবে।
তরুণদের অংশগ্রহণ ও ভবিষ্যৎ শিক্ষা:
শিক্ষা ব্যবস্থাকে কেবল প্রথাগত কাঠামোর মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে একে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং আধুনিক করতে তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তরুণদের নতুন চিন্তা ও প্রযুক্তিবান্ধব ধারণাগুলোকে কাজে লাগিয়ে একটি কার্যকর শিক্ষা ব্যবস্থা পুনর্গঠনই এবারের দিবসের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।
এসআর
মন্তব্য করুন: