শেখ হাসিনার একটি ভাষণের প্রতিবাদে কিশোরগঞ্জে বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল ভাঙচুর করেছে। বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে এই ঘটনা ঘটে।
এছাড়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা কিশোরগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়কে “পাবলিক টয়লেট” হিসেবে ঘোষণা করেছে। একই রাতে কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটায় তারা।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়কারী আশরাফ আলী সোহান বলেন, “স্বৈরাচারী সরকার দেশে বিশৃঙ্খলা তৈরি করছে। নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ বিভিন্ন স্থানে কার্যক্রম চালাচ্ছে। হাসিনা ভারত থেকে বক্তব্য দেওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়ার কর্মসূচি চলছে। তারই ধারাবাহিকতায় কিশোরগঞ্জে এই কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশের মাটিতে ফ্যাসিবাদের কোনো জায়গা নেই। ফ্যাসিবাদী চিহ্ন আমরা ভেঙে দেব, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এই পথ বেছে না নেয়।”
বিক্ষোভ চলাকালে ছাত্র-জনতা “মুজিববাদ মুর্দাবাদ”, “জনে জনে খবর দে, মুজিববাদের কবর দে”, “দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা” ইত্যাদি স্লোগান দেয়।
এর আগেও গত বছরের ৫ আগস্ট কিশোরগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে হামলা চালানো হয়েছিল। সেই সময় জেলা প্রশাসক কার্যালয়, সদর উপজেলা পরিষদ ও মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে স্থাপিত ম্যুরাল ভাঙচুর করা হয়েছিল।
এসআর
মন্তব্য করুন: