ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত হওয়া ৩০ শিক্ষক ও কর্মকর্তার শাস্তি মওকুফ করে তাদের পুনর্বহালের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তবে একই ঘটনায় বহিষ্কৃত ৩৩ শিক্ষার্থীর বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের জরুরি সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শীর্ষ কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করলেও আনুষ্ঠানিক বক্তব্যের জন্য ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
জানা যায়, আগের এক সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অভিযোগগুলো পুনর্বিবেচনার জন্য একটি রিভিউ কমিটি গঠন করা হয়। পরবর্তীতে ওই কমিটির প্রতিবেদন যাচাইয়ের জন্য তা এক অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজের কাছে পাঠানো হয়।
তিনি তদন্তে মত দেন, সংশ্লিষ্ট কমিটিগুলোর কার্যক্রম ‘ইসলামিক ইউনিভার্সিটি এমপ্লয়িজ এফিশিয়েন্সি অ্যান্ড ডিসিপ্লিন রুলস, ১৯৮৬’ অনুযায়ী পরিচালিত হয়নি। ফলে শাস্তির সুপারিশ আইনগতভাবে দুর্বল।
এই মতামতের ভিত্তিতে সিন্ডিকেট সভায় অভিযুক্ত শিক্ষক-কর্মকর্তাদের শাস্তি প্রত্যাহার করে সতর্কতার সঙ্গে পুনর্বহালের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এর আগে, গত বছরের মার্চে গঠিত একটি তদন্ত কমিটি লিখিত অভিযোগ, ভিডিওচিত্র ও গণমাধ্যমের তথ্য বিশ্লেষণ করে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পায়। এর প্রেক্ষিতে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়ে পরবর্তীতে তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এ সিদ্ধান্ত নিয়ে ক্যাম্পাসে আলোচনা-সমালোচনা চলছে, বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত না আসায় বিষয়টি নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।
এসআর
মন্তব্য করুন: