[email protected] সোমবার, ১২ জানুয়ারি ২০২৬
২৮ পৌষ ১৪৩২

কুবিতে খালেদা জিয়ার মাগফিরাত কামনায় দোয়া

কুবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ ১১:২৯ পিএম

সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) বাদ জোহর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে এই দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।
দোয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সুলাইমান, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আবদুল হাকিম, ইংরেজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. এম. এম. শরিফুল করিম প্রমুখ।

অধ্যাপক এম. এম. শরিফুল করিম বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকারী।

দীর্ঘ অসুস্থতা ও নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি আপসহীন নেতৃত্বের দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন। তাঁর জীবন থেকে সম্মান, দৃঢ়তা ও আত্মমর্যাদার শিক্ষা নেওয়ার আছে। তিনি মর্যাদার সঙ্গে বিদায় নিয়েছেন—এটাই তাঁর জীবনের বড় প্রাপ্তি। বক্তৃতার শেষে তিনি মরহুমার রূহের মাগফিরাত কামনা করেন।
প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আবদুল হাকিম বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যু কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের জন্য বিশেষভাবে বেদনাদায়ক। কারণ তিনি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্বোধনের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ করা হচ্ছে এবং মহান আল্লাহর কাছে তাঁর জান্নাত কামনা করা হচ্ছে।
রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, মানুষের জীবন চিরস্থায়ী নয়—এই সত্য আমাদের মেনে নিতে হয়। দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যু জাতির জন্য বড় ক্ষতি। আমরা সবাই তাঁর আত্মার শান্তি ও জান্নাতবাসের জন্য দোয়া করি।
কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সুলাইমান তাঁর বক্তব্যে বলেন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সূচনালগ্নের সঙ্গে যাঁর নাম জড়িয়ে আছে, সেই বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে দেশজুড়ে শোকের আবহ বিরাজ করছে। পবিত্র কোরআনে মৃত্যুর কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে—মানুষকে তার কর্মের হিসাব দিতে হবে। তাই মৃত্যু আমাদের জন্য আত্মসমালোচনা ও সচেতনতার শিক্ষা বহন করে।
উল্লেখ্য, সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস, লিভার সিরোসিস ও কিডনি জটিলতাসহ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন।

শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গত ২৩ নভেম্বর তাঁকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় তিনি ইন্তেকাল করেন।

এসআর

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর