দেশি–বিদেশি বিশেষজ্ঞদের মতে, সময়মতো প্রস্তুতি, জনসচেতনতা
বৃদ্ধি এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার—এই তিনটির সমন্বয় বড় ধরনের ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে পারে।
শনিবার ঢাকার একটি হোটেলে আয়োজিত আলোচনাসভায় আবাসন, স্থাপত্য, প্রকৌশল, নগর পরিকল্পনা ও জরুরি ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন খাতের দুই শতাধিক প্রতিনিধি অংশ নেন। সেখানে ভূমিকম্প ঝুঁকি, ভবনের নিরাপত্তা এবং দুর্যোগ-উদ্ধার কার্যক্রম নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়।
সেমিনারে বুয়েটসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের খ্যাতনামা প্রকৌশলী ও গবেষকেরা বক্তব্য রাখেন। এছাড়া জাপানের দুই অভিজ্ঞ ভূমিকম্প–সহনশীল স্থাপত্য বিশেষজ্ঞও অংশ নিয়ে তাদের দেশের অভিজ্ঞতা ও নিরাপদ অবকাঠামো নির্মাণ–সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরেন।
বক্তারা জানান, ভূমিকম্পপ্রতিরোধী ভবন নির্মাণ, বিদ্যমান ভবনের স্ট্রাকচারাল অডিট, নির্মাণকাজে কঠোর মাননিয়ন্ত্রণ, দ্রুত উদ্ধার সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং কার্যকর আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা চালু করা এখন সময়ের দাবি। পাশাপাশি নাগরিকদের নিয়মিত মহড়া, সচেতনতা কার্যক্রম এবং পরিবারভিত্তিক জরুরি পরিকল্পনার ওপর জোর দেওয়া হয়।
করণীয় বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ
সেমিনারে বিশেষজ্ঞরা যে বিষয়গুলোতে গুরুত্বারোপ করেন—
বিল্ডিং কোড কঠোরভাবে প্রয়োগ
অনুমোদন প্রক্রিয়ার ডিজিটালাইজেশন
ঝুঁকিপূর্ণ পুরোনো ভবনের রেট্রোফিটিং
নতুন সিসমিক স্টেশন স্থাপন
জিও-ইনফরমেশন সিস্টেম ও এআইভিত্তিক ঝুঁকি বিশ্লেষণ
উদ্ধারকারী বাহিনীর আধুনিক সরঞ্জাম
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও অফিসে নিয়মিত মহড়া
মানসম্পন্ন নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার
রিয়েল এস্টেট খাতে স্বচ্ছতা
তাদের মতে, জাপান নিয়ম মেনে কাজ করার কারণে ভূমিকম্প সহনশীল শহর গড়তে সফল হয়েছে; বাংলাদেশ চাইলে ক্ষতির পরিমাণ অর্ধেকে নামিয়ে আনাও সম্ভব।
কেন বাংলাদেশ উচ্চ ঝুঁকিতে
বিশেষজ্ঞরা আরও জানান, বাংলাদেশ তিনটি সক্রিয় টেকটোনিক প্লেটের মিলনস্থলে অবস্থান করছে—ভারত, মিয়ানমার ও ইউরেশিয়া। সিলেটের ডাউকি ফল্ট, চট্টগ্রাম–টেকনাফ অঞ্চলের চিটাগং-আরাকান ফল্ট এবং মিয়ানমারের সাগাইং ফল্ট মিলিয়ে এই অঞ্চল অত্যন্ত ভূমিকম্প প্রবণ। দ্রুত নগরায়ন, ঘনবসতি, ভবন নির্মাণে নিয়ম না মানা এবং সংকীর্ণ রাস্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।
জেসিএক্স ডেভেলপমেন্টস আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, সাম্প্রতিক ভূমিকম্প
এসআর
মন্তব্য করুন: