[email protected] বৃহঃস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫
২০ চৈত্র ১৪৩১

দেশের রিজার্ভ ২৫ বিলিয়ন ডলার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৯ মার্চ ২০২৫ ১০:৩৩ পিএম

ফাইল  ছবি

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে প্রবাসী বাংলাদেশিরা পরিবারের কাছে রেমিট্যান্স পাঠানোর হার বাড়িয়েছেন, ফলে মার্চ মাসে রেকর্ড পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা এসেছে।

এতে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়তে শুরু করেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২৭ মার্চ পর্যন্ত দেশের বৈদেশিক মুদ্রার গ্রস রিজার্ভ ২৫.৪৪ বিলিয়ন ডলার হয়েছে। আইএমএফের হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী এ পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২০.৩০ বিলিয়ন ডলারে। তবে ব্যয়যোগ্য রিজার্ভ এখনো ১৫ বিলিয়ন ডলারের ঘরে রয়েছে।

গত ৯ মার্চ আকুর বিল পরিশোধের পর বৈদেশিক মুদ্রার গ্রস রিজার্ভ ২৫ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসে, এবং বিপিএম-৬ অনুযায়ী তা ১৯.৭০ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়ায়। তবে রমজান মাসে রেমিট্যান্সের উচ্চ প্রবৃদ্ধি ও রপ্তানি আয় বৃদ্ধির ফলে রিজার্ভের পরিমাণ ফের বাড়তে শুরু করেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে ব্যয়যোগ্য রিজার্ভের পরিমাণ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা না হলেও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বর্তমানে এটি ১৫ বিলিয়ন ডলার রয়েছে। প্রতি মাসে ৫ বিলিয়ন ডলার আমদানি ব্যয়ের ভিত্তিতে, এই রিজার্ভ দিয়ে তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব। সাধারণত একটি দেশের ন্যূনতম ৩ মাসের আমদানি খরচের সমান রিজার্ভ থাকা প্রয়োজন।

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ ১৪ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমেছিল। সে সময় বৈদেশিক ঋণ এবং বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ডলার কেনার মাধ্যমে রিজার্ভ বাড়ানো হয়েছিল। তবে আগস্টে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর নতুন গভর্নর বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি বন্ধ রেখেছেন এবং বিভিন্ন উৎস থেকে ডলার সংগ্রহের চেষ্টা করছেন।

তবে আগের দায় পরিশোধের কারণে রিজার্ভ ২০ বিলিয়ন ডলারের আশপাশে ওঠানামা করছে।

 

এসআর

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর