প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সে নতুন রেকর্ডের পথে বাংলাদেশ।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান বলছে, চলতি মার্চ মাসে গড়ে প্রতিদিন ১১ কোটি ৩২ লাখ ডলার দেশে এসেছে, যা প্রবাসী আয় প্রবাহে একটি নতুন উচ্চতা নির্দেশ করে। তুলনামূলকভাবে, গত ফেব্রুয়ারি মাসে মোট ২৫২ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৭ শতাংশ বেশি।
অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, প্রবাসীরা এখন হুন্ডির মতো অবৈধ চ্যানেলের পরিবর্তে বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠাচ্ছেন, যার ফলে অর্থ পাচারের প্রবণতা কমে এসেছে। এরই ফলস্বরূপ, রমজান মাসে দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, মার্চ মাসের প্রথম ১৫ দিনে প্রবাসী আয় ছিল ১৬৬ কোটি ডলার, যা ১৯ মার্চে বেড়ে দাঁড়ায় ২২৫ কোটি ডলারে। এরপর ২২ মার্চ পর্যন্ত এটি ২৪৩ কোটি ডলার হয়, যা ২৪ মার্চে ২৭০ কোটি ডলারে উন্নীত হয়। ২৬ মার্চ পর্যন্ত এটি আরও বৃদ্ধি পেয়ে ২৯৪ কোটি ৫০ লাখ ডলারে পৌঁছেছে।
প্রবাসী আয় বাড়ায় ব্যাংকগুলোতে ডলারের সংকট অনেকটাই কমেছে। বর্তমানে প্রতি ডলার ১২৩ টাকার মধ্যে লেনদেন হচ্ছে, যা মুদ্রাবাজারে স্থিতিশীলতা আনতে সহায়তা করছে। পাশাপাশি, আমদানি ব্যয় নিয়ন্ত্রণে থাকায় খাদ্যপণ্যের দামেও বড় ধরনের ঊর্ধ্বগতি দেখা যাচ্ছে না।
অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রবাসী আয়ের এই ধারা অব্যাহত থাকলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও শক্তিশালী হবে এবং সামষ্টিক অর্থনীতি স্বস্তির দিকে যাবে।
এসআর
মন্তব্য করুন: