[email protected] শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫
২১ চৈত্র ১৪৩১

রিজার্ভ নামল ২০ বিলিয়ন ডলারের নিচে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৩ জানুয়ারি ২০২৫ ১০:২৯ পিএম
আপডেট: ২৪ জানুয়ারি ২০২৫ ১২:৫১ এএম

ফাইল ছবি

দেশে ডলারের সংকট এখনও কাটেনি।

এর ফলে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবারও ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের নিচে নেমে এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২২ জানুয়ারি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার গ্রস রিজার্ভ ২৫ দশমিক ২২ বিলিয়ন ডলারে নেমেছে, যা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) এর বিপিএম-৬ গণনা অনুসারে ২০ বিলিয়ন ডলারের নিচে, অর্থাৎ ১৯ দশমিক ৯৪ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। ১৫ জানুয়ারি বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ ছিল ২০ দশমিক ১৩ বিলিয়ন ডলার, যেখানে মোট রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ২৫ দশমিক ১৮ বিলিয়ন ডলার। এর মানে গত ৬ দিনে বিপিএম-৬ অনুসারে রিজার্ভে ২০ কোটি ডলার কমেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নিট রিজার্ভের আরেকটি হিসাব রয়েছে, যা সাধারণত প্রকাশ করা হয় না। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা গেছে, দেশের ব্যয়যোগ্য প্রকৃত রিজার্ভ বর্তমানে প্রায় ১৫ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি। এই রিজার্ভ দিয়ে প্রতি মাসে ৫ বিলিয়ন ডলার হিসেবে তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব। সাধারণভাবে, একটি দেশের ন্যূনতম ৩ মাসের আমদানি ব্যয়ের সমান রিজার্ভ থাকা উচিত।

এছাড়া, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ ১৪ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমে গিয়েছিল। তখন বৈদেশিক ঋণ এবং বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে ডলার সংগ্রহ করে রিজার্ভ বাড়ানো হয়েছিল। আগস্টে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর, নতুন গভর্নর বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেন এবং বিভিন্ন সোর্স থেকে ডলার সংগ্রহের চেষ্টা করছেন। তবে পুরনো দায় পরিশোধের জন্য রিজার্ভ কিছুটা কমেছে।

উল্লেখযোগ্য যে, চলতি বছরের শুরুতে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার গ্রস রিজার্ভ ছিল ২৬ দশমিক ২০ বিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম-৬ রিজার্ভ ছিল ২১ দশমিক ৩৬ বিলিয়ন ডলার। মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি দায় বিয়োগ করলে নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের পরিমাণ পাওয়া যায়। তবে এর বাইরে বাংলাদেশ ব্যাংকের আরেকটি হিসাব রয়েছে, যা হলো ব্যয়যোগ্য রিজার্ভ, যা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয় না। এই হিসাব অনুযায়ী আইএমএফের এসডিআর, ব্যাংকগুলোর বৈদেশিক মুদ্রা ক্লিয়ারিং হিসাবে থাকা মুদ্রা এবং আকুর বিল বাদ দিয়ে ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ গণনা করা হয়।

এসআর

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর