[email protected] মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
৪ ফাল্গুন ১৪৩২

আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি: মূল্যস্ফীতির চাপে কমছে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ৭:২৬ এএম

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ গবেষণা প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশে পণ্যমূল্য বৃদ্ধির (মূল্যস্ফীতি)

 হারের তুলনায় সাধারণ মানুষের মজুরি বৃদ্ধির হার অনেক কম। ফলে সাধারণ মানুষের সঞ্চয় কমছে এবং পারিবারিক ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস পাচ্ছে। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে ডিসেম্বর পর্যন্ত তথ্যের বিশ্লেষণ তুলে ধরা হয়েছে।


​মূল্যস্ফীতি বনাম মজুরি: ডিসেম্বরে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৮.৫%, যেখানে মজুরি বৃদ্ধির হার ছিল ৮.১% এর নিচে। অর্থাৎ জিনিসের দাম যে হারে বাড়ছে, মানুষের আয় সে হারে বাড়ছে না।


​ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস: গত বছরের জুলাই থেকে মজুরি বৃদ্ধির হার ধারাবাহিকভাবে কমছে। ফলে সাধারণ মানুষ আগের তুলনায় কম পণ্য কিনতে বাধ্য হচ্ছে।


​বাজারের অসঙ্গতি: পাইকারি ও খুচরা বাজারের মধ্যে দামের বিশাল ব্যবধান দেখা যাচ্ছে। সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকলেও খুচরা পর্যায়ে দাম কমছে না।


​কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশ
​গবেষণায় মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে:
​বাজার ব্যবস্থাপনা: পাইকারি ও খুচরা বাজারের অসম ব্যবধান কমাতে এবং দাম নিয়ন্ত্রণে সরকারের সরাসরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।
​খাদ্যপণ্যের লাগাম: মূল্যস্ফীতি কমাতে হলে সবার আগে খাদ্যপণ্যের দাম স্থিতিশীল করতে হবে।


​নীতিগত সতর্কতা: দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য টেকসই ও সতর্কতামূলক আর্থিক নীতি গ্রহণ করা অপরিহার্য।
​আমদানি প্রভাব: অক্টোবর-ডিসেম্বর প্রান্তিকে আমদানিকৃত খাদ্য ও অন্যান্য পণ্যের দাম মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রেখেছে।

​প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশে পণ্যের উৎপাদন এবং আমদানি স্বাভাবিক থাকা সত্ত্বেও বাজার ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলার অভাবে সাধারণ মানুষ সুফল পাচ্ছে না। এর ফলে দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যমাত্রা বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এসআর

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর