ডিসেম্বর মাসে প্রবাসী আয়ে উল্লেখযোগ্য গতি দেখা গেছে।
মাসের প্রথম ২৭ দিনেই দেশে এসেছে প্রায় ২৭৫ কোটি মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকা (ডলারপ্রতি আনুমানিক ১২২ টাকা হিসাবে)।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এই অঙ্ক প্রায় ১৪ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি নির্দেশ করে। সংশ্লিষ্টদের ধারণা, বর্তমান ধারা বজায় থাকলে মাস শেষে রেমিট্যান্স ৩ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করতে পারে, যা বৈদেশিক মুদ্রা বাজারকে আরও স্থিতিশীল করবে।
রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়ে যাওয়ায় ব্যাংকিং খাতে ডলারের প্রাচুর্য তৈরি হয়েছে। বাজারের ভারসাম্য ধরে রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডিসেম্বর মাসে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ডলার কিনেছে। শুধু ডিসেম্বরেই কেনা হয়েছে প্রায় ৯০০ মিলিয়ন ডলার, আর চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে মোট কেনার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা মনে করছেন, হুন্ডি দমন, প্রবাসী আয়ের প্রণোদনা এবং ব্যাংকিং চ্যানেলের উন্নতির ফলে প্রবাসীরা এখন বেশি পরিমাণে বৈধ পথে অর্থ পাঠাচ্ছেন। এর ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভেও ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে প্রায় ১,৫৭৯ কোটি ডলার, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ১৬–১৭ শতাংশ বেশি।
এসআর
মন্তব্য করুন: