সারা দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির প্রেক্ষাপটে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর অবস্থান নিয়েছে।
খুন, ডাকাতি, ছিনতাইসহ নানা অপরাধ প্রতিরোধে রাজধানীতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ২৪ ঘণ্টায় ২৪৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পুলিশের তথ্যমতে, গ্রেফতার ব্যক্তিদের মধ্যে বেশিরভাগই চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই ও চাঁদাবাজির মতো অপরাধের সঙ্গে জড়িত।
তবে হঠাৎ তাদের অপরাধপ্রবণতা বেড়ে যাওয়ার পেছনে কোনো পৃষ্ঠপোষকতা রয়েছে কিনা, তা তদন্ত করা হচ্ছে। কিশোর গ্যাংয়ের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গ্রেফতারদের মধ্যে ১৪ জন ডাকাত, ১৬ জন পেশাদার ছিনতাইকারী, ৭ জন চাঁদাবাজ, ১১ জন চোর, ২২ জন মাদক কারবারি এবং ৪৪ জন পরোয়ানাভুক্ত আসামি রয়েছেন। তাদের কাছ থেকে দেশীয় অস্ত্র, মাদক ও অন্যান্য অবৈধ সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) আকরাম হোসেন জানিয়েছেন, অপরাধীদের রাজনৈতিক বা অন্যান্য কোনো পৃষ্ঠপোষকতা রয়েছে কিনা, তা জানতে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
সন্দেহজনক তথ্য পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে, রাজধানীতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ৫০টি থানা এলাকায় ৫০০ টহল টিম মোতায়েন করা হয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ৫৪টি পুলিশ চেকপোস্ট বসানো হয়েছে।
উত্তরায় ছাত্র আন্দোলনের সময় সংঘর্ষের ঘটনায় ছাত্রলীগ নেতা সাকিবুল হাসান সানিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
এছাড়া বনশ্রীতে স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে গুলি ও ছিনতাইয়ের ঘটনায় এখনও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ, তবে জড়িতদের ধরতে একাধিক দল কাজ করছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা।
এসআর
মন্তব্য করুন: