[email protected] রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
১৪ চৈত্র ১৪৩২

ঈদ শেষে ঢাকায় ফেরা মানুষের ঢল, টার্মিনালজুড়ে ভিড় ও ব্যস্ততা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৮ মার্চ ২০২৬ ১১:০৫ এএম

সংগৃহীত ছবি

ঈদের ছুটি শেষে প্রিয়জনদের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে আবার কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছেন মানুষ।

ফলে রাজধানীমুখী যাত্রীদের চাপ বেড়েছে বাস টার্মিনাল, রেলস্টেশন ও লঞ্চঘাটগুলোতে। শুক্রবার সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ঢাকায় ফিরতে দেখা গেছে হাজারো মানুষকে। রোববার থেকে অফিস-আদালত খুলে যাওয়ায় এই চাপ আরও বেড়েছে।


যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সড়কে বড় ধরনের যানজট না থাকলেও কোথাও কোথাও বাড়তি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি সাম্প্রতিক কিছু সড়ক ও নৌ দুর্ঘটনার খবর অনেকের মধ্যেই উদ্বেগ তৈরি করেছে।


রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ পরিবহন কেন্দ্র যেমন কমলাপুর রেলস্টেশন, সায়েদাবাদ, সদরঘাট, গাবতলী ও মহাখালী এলাকায় সরেজমিনে দেখা গেছে, যাত্রীদের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বিশেষ করে মহাখালী ও গাবতলীতে দূরপাল্লার বাস থেকে নেমে যাত্রীরা নিজ নিজ গন্তব্যে যেতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।


গাবতলী এলাকায় দেখা যায়, ঈদের ছুটি কাটিয়ে ফেরা কর্মজীবী মানুষের ভিড় যেমন আছে, তেমনি কেউ কেউ আবার উল্টো পথে গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে রওনা দিচ্ছেন। ফলে প্রবেশ ও বের হওয়ার উভয় পথে চাপ তৈরি হয়েছে। বাস থেকে নামার পর যাত্রীরা দ্রুত যানবাহন খুঁজছেন, আর সিএনজি, অটোরিকশা ও বাইকচালকরাও যাত্রী পাওয়ার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন।


ফিরতি পথে ভাড়া বেশি নেওয়ার অভিযোগও করেছেন অনেক যাত্রী। মাগুরা থেকে আসা এক যাত্রী জানান, সরাসরি বাসের টিকিট না পেয়ে লোকাল পরিবহন ব্যবহার করে নদী পাড়ি দিয়ে ঢাকায় ফিরতে হয়েছে এবং নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি দিতে হয়েছে।


অন্যদিকে, কমলাপুর রেলস্টেশনে ট্রেনযাত্রীদের ব্যাপক চাপ লক্ষ্য করা গেছে। অনেকেই আসন না পেয়ে দাঁড়িয়ে বা ভিড়ের মধ্যেই যাত্রা সম্পন্ন করেছেন। কেউ কেউ ট্রেনের ছাদেও ভ্রমণ করেছেন বলে জানা গেছে।
একাধিক যাত্রী জানিয়েছেন, আগাম টিকিট থাকলেও ভিড়ের কারণে স্বস্তিতে যাত্রা করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

তবে সামগ্রিক ব্যবস্থাপনায় আগের তুলনায় কিছুটা শৃঙ্খলা রয়েছে বলেও মত দিয়েছেন কেউ কেউ।
পরিবার নিয়ে ফেরা এক যাত্রী জানান, ভিড়ের কারণে কিছুটা ভোগান্তি হলেও পরিস্থিতি মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং নিরাপদে ঢাকায় পৌঁছাতে পারাটাই এখন বড় স্বস্তি।

এসআর

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর