[email protected] শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬
১৩ চৈত্র ১৪৩২

সবজিতে স্বস্তি, তবে মাছ ও মুরগির বাজারে বাড়ছে চাপ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৭ মার্চ ২০২৬ ১২:২১ পিএম

সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর বাজারগুলোতে সাম্প্রতিক সময়ে সবজির দামে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও মাছ ও মুরগির দামে বেড়েছে অস্বস্তি।

বিক্রেতারা বলছেন, সরবরাহ কমে যাওয়া এবং পরিবহন খরচ বাড়ার কারণে এই দাম বাড়ছে।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, ঈদের পর সবজির সরবরাহ বাড়লেও ক্রেতার সংখ্যা তুলনামূলক কম। ফলে রমজানজুড়ে যেসব সবজি ১০০ টাকার ওপরে ছিল, সেগুলোর দাম এখন কেজিতে ১০-২০ টাকা কমেছে। শিম, পটল ও বরবটি ৬০-৭০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। কাঁচামরিচের দামও সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। তবে করলা, গোল বেগুন ও কচুর লতির মতো কিছু সবজি এখনো তুলনামূলক বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। লেবুর ক্ষেত্রেও মাঝারি আকারে কিছুটা কমলেও বড় লেবুর দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
অন্যদিকে মাছের বাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা স্পষ্ট। বিশেষ করে মিঠা পানির বড় মাছের দাম এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। ব্যবসায়ীরা এর পেছনে সরবরাহ ঘাটতি ও জ্বালানিজনিত পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধিকে দায়ী করছেন।
মুরগির বাজারেও একই চিত্র। ব্রয়লার মুরগি কেজিতে প্রায় ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রমজানে ৩৩০ টাকায় বিক্রি হওয়া সোনালি মুরগির দাম এখন আরও বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। দেশি মুরগির দামও অনেক বেশি, যা কেজিতে ৭৫০ টাকার নিচে পাওয়া কঠিন।
এদিকে ডিম এখনো তুলনামূলকভাবে সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে রয়েছে। লাল ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১০৫-১১০ টাকায়, আর হাঁসের ডিম কিনতে গুনতে হচ্ছে প্রায় ১৮০ টাকা।
এমন পরিস্থিতিতে সীমিত আয়ের মানুষের জন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য সামলানো কঠিন হয়ে পড়েছে। অনেক ক্রেতার অভিযোগ, বাজারে পর্যাপ্ত তদারকি না থাকায় ব্যবসায়ীরা ইচ্ছামতো দাম নির্ধারণের সুযোগ পাচ্ছেন।

এসআর

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর