ঢাকা-১১ আসনের ফলাফল নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির ক্ষুদ্রঋণ বিষয়ক সম্পাদক ও ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী এম এ কাইয়ুম।
তার দাবি, যে প্রার্থী অনেক কেন্দ্রে পোলিং এজেন্টই দিতে পারেননি, তিনি কীভাবে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ভোট পেলেন— তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে ১১ দলীয় জোট সমর্থিত প্রার্থী ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের সঙ্গে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয় কাইয়ুমের। অনানুষ্ঠানিক ফলাফলে অল্প ব্যবধানে পরাজিত হন তিনি।
শুক্রবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীতে নিজ নির্বাচনী কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় কাইয়ুম অভিযোগ করেন, পুরো নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় নানা অনিয়ম ও কারচুপি হয়েছে।
বিশেষ করে পোস্টাল ভোটের ব্যবস্থাকে ব্যবহার করে ফলাফল প্রভাবিত করা হয়েছে বলে তার দাবি।
তিনি বলেন, এ ধরনের বিতর্কিত প্রক্রিয়া সরকারের গ্রহণযোগ্যতাকেও প্রশ্নের মুখে ফেলেছে।
কাইয়ুম জানান, ফল পুনর্গণনার দাবিতে তিনি ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশনে আবেদন করেছেন।
সেখান থেকে সন্তোষজনক সাড়া না পেলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও ভাবছেন তিনি।
প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, বিভিন্ন ইস্যু সামনে এনে ভোটারদের বিভ্রান্ত করা হয়েছে এবং তার সমর্থকদের ওপর একাধিক স্থানে হামলার ঘটনাও ঘটেছে।
এদিকে, নির্বাচনে জয়ী না হলেও নিজ এলাকায় দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন কাইয়ুম।
তিনি বলেন, সংসদ সদস্য না হলেও জনগণের পাশে থাকবেন এবং এলাকা থেকে মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে ভূমিকা রাখবেন।
এসআর
মন্তব্য করুন: