[email protected] শুক্রবার, ২৯ আগস্ট ২০২৫
১৪ ভাদ্র ১৪৩২

স্বাস্থ্য উপদেষ্টা হতে চিকিৎসকের ২০০ কোটি টাকার লেনদেনে সত্যতা মিলেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২৯ আগষ্ট ২০২৫ ২:১৯ এএম

অধ্যাপক ডা. শেখ গোলাম মোস্তফা

স্বাস্থ্য উপদেষ্টা হওয়ার প্রলোভনে ২০০ কোটি টাকার চেক হস্তান্তরসহ ঘুষ লেনদেনের অভিযোগে প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের (এনআইসিআরএইচ) সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. শেখ গোলাম মোস্তফা।

বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে একটি বিশেষ টিম এ বিষয়ে অভিযান পরিচালনা করে।

দুদকের উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম বলেন, “ডা. মোস্তফার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং অসাধু উপায়ে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদ লাভের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

অভিযানে সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে বিভিন্ন রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করা হয়। এগুলো বিশ্লেষণে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা মেলে। অতিরিক্ত রেকর্ডপত্র সংগ্রহের কাজ চলছে এবং যাচাই শেষে কমিশনের কাছে বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে বলে তিনি জানান।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের জানুয়ারিতে স্বাস্থ্য উপদেষ্টার পদ পাওয়ার আশায় ডা. মোস্তফা এক সমন্বয়ক গ্রুপকে ১০ লাখ টাকা নগদ এবং ২০০ কোটি টাকার চারটি চেক দেন।

মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করেন আরিফুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি, যিনি নিজেকে সমন্বয়ক আরেফিনের ভাই পরিচয় দেন। তিনি সরাসরি ডা. মোস্তফার চেম্বার থেকে চেকগুলো সংগ্রহ করেন।

ঘটনাটি সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই এটিকে স্বাস্থ্য খাতের দুর্নীতির চাঞ্চল্যকর উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করছেন।

তবে অধ্যাপক ডা. শেখ গোলাম মোস্তফা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি গণমাধ্যমে দাবি করেছেন, “আমাকে উপদেষ্টা বানানোর মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে জোরপূর্বক চেকে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে। এগুলো ছিল সিকিউরিটি চেক।

যে দিন তারা আমার অফিসে আসে, তখন তাদের দু’জনের হাতে অস্ত্র ছিল। 

এসআর

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর