দিনাজপুর টেক্সটাইল মিল পুনরায় চালুর বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম।
তিনি জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠান পর্যায়ক্রমে চালুর লক্ষ্যে কাজ চলছে।
রোববার (১২ এপ্রিল) সকালে দিনাজপুর টেক্সটাইল মিল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, দেশের অনেক জুট ও টেক্সটাইল মিলের জমি অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে।
এসব সম্পদকে কাজে লাগাতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, একসময় দিনাজপুর টেক্সটাইল মিল এই অঞ্চলের মানুষের কাছে গর্বের প্রতীক ছিল। কিন্তু দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় স্থানীয় অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানে বিরূপ প্রভাব পড়েছে।
সরকার বন্ধ শিল্পকারখানা চালুর মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্ব দিচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, এরই মধ্যে রাজশাহী টেক্সটাইল মিল পরিদর্শন করা হয়েছে এবং শিগগিরই নীলফামারীর দারোয়ানী টেক্সটাইল মিলও পরিদর্শন করা হবে। পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) পদ্ধতিতে বিনিয়োগ এনে এসব মিল পুনরায় চালুর প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক দরপত্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে এবং খুব দ্রুতই মিলটি চালুর বিষয়ে দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
পরিদর্শনকালে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব বিলকিস জাহান রিমিসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, দিনাজপুর সদর উপজেলার সদরপুরে প্রায় ৩৬ দশমিক ৫৪ একর জমির ওপর ১৯৭৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এই টেক্সটাইল মিল।
শুরুতে প্রায় ১,৩৫০ শ্রমিক নিয়ে উৎপাদন কার্যক্রম চালু থাকলেও পরবর্তীতে নানা জটিলতায় লোকসানে পড়ে প্রতিষ্ঠানটি। শেষ পর্যন্ত ২০০৭ সালে মিলটি বন্ধ হয়ে যায়, ফলে বহু শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়েন।
এসআর