মাদার ভেসেল থেকে দেশের বিভিন্ন ডিপোতে তেল পরিবহনে নিয়োজিত লাইটার জাহাজগুলোর কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ায় গভীর সংকটের মুখে পড়েছে দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা। বাংলাদেশ ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট কো-অর্ডিনেশন সেল (বিডব্লিউটিসিসি) জানিয়েছে,
জাহাজ মালিকদের বকেয়া পাওনা এবং অস্বাভাবিক পরিচালন ব্যয়ের কারণে অনেক জাহাজ অচল হয়ে পড়েছে, যা দেশের ভেতরে জ্বালানি ছড়িয়ে দেওয়ার পথে একটি 'অদৃশ্য প্রতিবন্ধকতা' তৈরি করেছে।
বিডব্লিউটিসিসির মুখপাত্র পারভেজ আহমেদের মতে, যেখানে প্রতিদিন প্রায় ২ লাখ ৪০ হাজার লিটার তেলের চাহিদা রয়েছে, সেখানে সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৫০ থেকে ৬০ হাজার লিটার; ফলে জাহাজগুলো ছাড়তে ২ থেকে ৭ দিন পর্যন্ত দেরি হচ্ছে।
এই অচলাবস্থা দীর্ঘায়িত হলে বিদেশি জাহাজগুলো চট্টগ্রাম বন্দরে আসার আগ্রহ হারাতে পারে, যা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করবে এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়িয়ে দিয়ে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস তুলবে।
পাশাপাশি, কোথাও কোথাও কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে অসাধু ব্যবসায়ীদের তেল মজুদের অভিযোগও পাওয়া গেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। এমতাবস্থায় দেশের অর্থনীতিকে রক্ষা করতে অবিলম্বে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের নিয়ে জরুরি আলোচনার দাবি জানানো হয়েছে।
এসআর
মন্তব্য করুন: