রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে ফেরিতে ওঠার সময় একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে পড়ে গিয়ে ডুবে গেছে।
এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, আর অন্তত ৪৫ জন যাত্রীর খোঁজ মিলছে না।
বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ৩ নম্বর ঘাট এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ছেড়ে আসা ‘সৌহার্দ্য পরিবহন’-এর বাসটি পন্টুনে ওঠার সময় হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায় এবং দ্রুত পানির নিচে তলিয়ে যায়।
ঘটনার পরপরই স্থানীয়দের সহযোগিতায় উদ্ধার তৎপরতা শুরু হয়। এ পর্যন্ত চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং সাতজনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করে গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
খবর পেয়ে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযান শুরু করে। তবে নদীর গভীরতা বেশি হওয়ায় কাজ ব্যাহত হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের রাজবাড়ী ইউনিটের সহকারী পরিচালক সোহেল রানা জানান, দুর্ঘটনার পর দৌলতদিয়া ও পাটুরিয়া থেকে ডুবুরি দল উদ্ধারকাজে যোগ দিয়েছে। এখনো পানির নিচে থাকা বাসটি পুরোপুরি শনাক্ত বা তোলা সম্ভব হয়নি।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, বিকেল আগে কুমারখালী থেকে ছেড়ে আসা বাসটিতে প্রায় ৫৬ জন যাত্রী ছিলেন। তাদের মধ্যে কয়েকজনকে জীবিত উদ্ধার করা গেলেও অধিকাংশই এখনও নিখোঁজ।
নিখোঁজ যাত্রীদের স্বজনদের কান্নায় ঘাট এলাকা ভারী হয়ে উঠেছে, যা পুরো ঘটনাকে আরও মর্মান্তিক করে তুলেছে।
এসআর
মন্তব্য করুন: