সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে চাঁদপুর জেলার বিভিন্ন গ্রামে আজই পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করা হচ্ছে।
জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা দরবার শরীফকে কেন্দ্র করে প্রায় অর্ধশতাধিক গ্রামে এ প্রথা অনুসরণ করা হয়।
স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, ১৯২৮ সালে সাদ্রা দরবার শরীফের প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা ইসহাক (রা.) প্রথম এই ধারার সূচনা করেন। এরপর থেকে ওই অঞ্চলের কিছু মুসল্লি সৌদি আরবে চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে রোজা রাখা ও ঈদ উদযাপন করে আসছেন।
হাজীগঞ্জের সাদ্রা, সমেশপুর, অলীপুর, ভোলাচোঁ, ঝাকনি, সোনাচোঁ, প্রতাপপুর ও সুরঙ্গচাইলসহ বিভিন্ন গ্রামে আজ ঈদ উদযাপিত হচ্ছে। একইভাবে ফরিদগঞ্জ ও মতলব উত্তর উপজেলার কয়েকটি এলাকাতেও এই রীতি অনুসরণ করা হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, তারা মূলত মির্জাখিল দরবার শরীফের অনুসারী হওয়ায় প্রতিবছরই সৌদি আরবের সময়সূচি অনুযায়ী রোজা ও ঈদ পালন করেন।
আজ সকাল ৯টায় সাদ্রা দরবার শরীফ প্রাঙ্গণে প্রধান ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে, যেখানে ইমামতি করবেন পীরজাদা আল্লামা জাকারিয়া চৌধুরী আল মাদানী। এছাড়া সকাল সাড়ে ৯টার মধ্যে সাদ্রা হামিদিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসা মাঠে আরেকটি জামাত আয়োজন করা হয়েছে।
সাদ্রা দরবার শরীফের পীর মোহাম্মদ
আরিফ চৌধুরী জানান, দীর্ঘদিন ধরে তারা মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে মিল রেখে ধর্মীয় উৎসব পালন করে আসছেন এবং বর্তমানে দেশের আরও কিছু এলাকায় এই প্রথা অনুসরণ করা হচ্ছে।
এদিকে, আফগানিস্তানে চাঁদ দেখা যাওয়ার খবরে অনুপ্রাণিত হয়েও কিছু মানুষ আজ ঈদ পালন করছেন বলে স্থানীয়ভাবে জানা গেছে। ফলে দেশের অন্যান্য স্থানের তুলনায় এসব এলাকায় আগেভাগেই ঈদের আনন্দ শুরু হয়েছে।
এসআর
মন্তব্য করুন: