[email protected] বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬
৪ চৈত্র ১৪৩২

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট, ভোগান্তিতে ঘরমুখো মানুষ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৮ মার্চ ২০২৬ ২:৫৫ পিএম

সংগৃহীত ছবি

ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে ঘরে ফেরার ঢল নামায় গাজীপুরের মহাসড়কগুলোতে বেড়েছে যানবাহনের চাপ।

এর মধ্যে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রা বাস টার্মিনাল সংলগ্ন প্রায় ১২ কিলোমিটার এলাকায় থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। তবে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে এখনো তীব্র যানজট না থাকলেও যানবাহনের চাপ উল্লেখযোগ্য।


বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুরের পর থেকে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে, কারণ এ সময় গাজীপুরের বড় একটি অংশের শিল্পকারখানায় ছুটি শুরু হয়েছে। ফলে একসঙ্গে বিপুলসংখ্যক শ্রমিক সড়কে নামছেন।


সফিপুর থেকে চন্দ্রা টার্মিনাল এবং চন্দ্রা-নবীনগর সড়কের বাড়ইপাড়া অংশে যান চলাচল ধীরগতির হয়ে পড়েছে। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন থাকলেও যানবাহনের অতিরিক্ত চাপের কারণে স্বাভাবিক গতি ফিরিয়ে আনা যাচ্ছে না। মহাসড়কের পাশে বিভিন্ন কারখানার সামনে বাস দাঁড় করিয়ে রাখা এবং যাত্রী ওঠানামার কারণেও জট তৈরি হচ্ছে।


শিল্পাঞ্চল সূত্রে জানা গেছে, গাজীপুরের প্রায় দুই হাজার পোশাক কারখানা আজ তৃতীয় ধাপে ছুটি দিচ্ছে। এর আগে মঙ্গলবারও কিছু কারখানা বন্ধ হয়েছে। অনেকে আগের দিন রওনা না হয়ে আজ সকালে যাত্রা শুরু করায় চাপ আরও বেড়েছে।


যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, যানজট থাকলেও পরিবহন সংকট তেমন নেই, তবে কিছু ক্ষেত্রে বাড়তি ভাড়া চাওয়া হচ্ছে। অনেকেই দীর্ঘ ছুটি ও বেতন-বোনাস হাতে পেয়ে পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপনের উদ্দেশ্যে বাড়ির পথে রওনা হয়েছেন।


শিল্প ও কারখানা সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, গাজীপুর জেলায় প্রায় পাঁচ হাজারের মতো ছোট-বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। ধাপে ধাপে ছুটি দেওয়ার কারণে কয়েকদিন ধরেই যাত্রীচাপ বাড়ছে এবং বৃহস্পতিবার আরও কিছু কারখানা বন্ধ হলে চাপ অব্যাহত থাকতে পারে।


নাওজোর হাইওয়ে থানার দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গতকাল থেকেই যানবাহনের চাপ বাড়তে শুরু করেছে এবং দুপুরের পর তা আরও বৃদ্ধি পাবে। সড়কের পাশে শ্রমিকদের জন্য ভাড়া করা যানবাহন দাঁড়িয়ে থাকাও যানজটের অন্যতম কারণ বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এসআর

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর