ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঢাকা ছেড়ে যাওয়া নগরবাসীর জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একগুচ্ছ পরামর্শ ও নির্দেশনার কথা জানিয়েছেন
ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার। একইসঙ্গে উৎসবের এই সময়ে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশের বিশেষ প্রস্তুতি সম্পর্কেও তথ্য দিয়েছেন তিনি।
মূল্যবান বস্তু সংরক্ষণ: নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার বা গুরুত্বপূর্ণ দলিলপত্র অরক্ষিত অবস্থায় না রেখে বিশ্বস্ত আত্মীয়র বাসায় বা নিরাপদ স্থানে রেখে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যাদের ঢাকায় আত্মীয় নেই, তারা চাইলে পুলিশের সহায়তা নিয়ে থানায়ও প্রয়োজনীয় জিনিস জমা রাখতে পারেন।
সতর্কতা: ঘর ছাড়ার আগে দরজা-জানালা ভালো করে বন্ধ করা এবং গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগ সঠিকভাবে পরীক্ষা করে নিতে বলা হয়েছে।
প্রযুক্তির ব্যবহার: বাসার সিসিটিভি ক্যামেরা সচল রাখা এবং রাতের বেলা বাড়ির চারপাশে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
পুলিশের বিশেষ নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা:
টহল ও নজরদারি: ফাঁকা ঢাকার নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রতিদিন তিন শতাধিক গাড়ি ও মোটরসাইকেলের মাধ্যমে টহল কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। রাতে রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে ৭০টিরও বেশি চেকপোস্ট ও নিয়মিত ফুট প্যাট্রোল ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
টার্মিনাল ও বিপণিবিতান: বাস, লঞ্চ ও রেলস্টেশনে যাত্রী হয়রানি ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধে ইউনিফর্মধারী পুলিশের পাশাপাশি গোয়েন্দা পুলিশ নিয়োজিত রয়েছে। বিপণিবিতানগুলোতে ছিনতাইকারী ও মলম পার্টির তৎপরতা ঠেকাতে অতিরিক্ত এক হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
গতিরোধে ভ্রাম্যমাণ আদালত: ঈদের ছুটিতে ফাঁকা রাস্তায় রেসিং বা বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো বন্ধ করতে পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ে, বনানী-আবদুল্লাহপুর এবং গুলশান এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে।
এসআর
মন্তব্য করুন: