[email protected] মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
২৫ ফাল্গুন ১৪৩২

শ্যামনগরে স্থানীয় অভিযোজন মেলা

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৯ মার্চ ২০২৬ ৮:০৫ পিএম

সংগৃহীত ছবি

অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অভিজ্ঞতা ও উদ্ভাবনী উদ্যোগ তুলে ধরতে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে স্থানীয় অভিযোজন মেলা ও জলবায়ু সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৯ মার্চ) উপজেলার ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের ধুমঘাট পাইকের মোড় বিলে গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিক ও স্থানীয় জনগণের যৌথ উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়।


মেলায় ১৩টি স্টলের মাধ্যমে উপকূলীয় মানুষের জীবন-জীবিকা, স্থানীয় জ্ঞান ও অভিযোজন কৌশল তুলে ধরা হয়।

প্রদর্শনীতে উপকূলীয় কৃষি যন্ত্রপাতি, আগাছা ব্যবস্থাপনা, মাছ ধরার বিভিন্ন সরঞ্জাম, দেশীয় বীজ, ধান ও চাল, পরিবেশবান্ধব চুলা, বনজীবীদের ব্যবহার্য সামগ্রী, হস্তশিল্প, মাটির তৈজসপত্র ও শুকনা খাবার স্থান পায়।

পাশাপাশি হাতে আঁকা চিত্রের মাধ্যমে উপকূলীয় অঞ্চলের সংকট, প্রাণবৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহারও তুলে ধরা হয়।


এ সময় জারি-সারি পরিবেশন, চিত্রাঙ্কন ও দেয়ালিকা প্রদর্শনের আয়োজন করা হয়। এতে স্থানীয় বাসিন্দা, শিক্ষার্থী, নারী সংগঠক ও যুবসমাজসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
ঈশ্বরীপুর ইউনিয়ন গ্রীণ কোয়ালিশনের সভাপতি এম. জিল্লুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম।

উদ্বোধনী বক্তব্য দেন বারসিকের পরিচালক ও প্রাণবৈচিত্র্য গবেষক পাভেল পার্থ।


এছাড়া বক্তব্য দেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা এস.এম দেলোয়ার হোসেন, বারসিকের সহযোগী আঞ্চলিক সমন্বয়কারী রামকৃষ্ণ জোয়ারদার, শংকর ম্রং, কৃষ্ণানন্দ মুখার্জী, রণজিৎ বর্মন, আল্পনা নাফাক, কামনা হাজং, শেফালী বিবি ও যুব স্বেচ্ছাসেবক সাইদুল ইসলাম।


বক্তারা বলেন, উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর বাস্তব অভিজ্ঞতা ও স্থানীয় উদ্ভাবনী উদ্যোগকে গুরুত্ব দিলে টেকসই জলবায়ু অভিযোজন সম্ভব। একই সঙ্গে স্থানীয় মানুষের অভিযোজন সংগ্রামকে জাতীয় পরিকল্পনায় যুক্ত করা এবং জলবায়ু অর্থায়ন বাড়ানোর ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তারা।

 

এসআর

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর