যশোর শহরের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সার্কিট হাউজ পাড়ায় ‘বাবলু স্যার’ বা ‘বাবলু মামা’ নামে পরিচিত এক মানুষ আছেন- বাবলু মোড়ল।
রাজনীতির কৌশল বা জটিল সমীকরণে তিনি খুব একটা স্বাচ্ছন্দ নন, তবে মানুষের দুঃখ-কষ্ট বোঝার ক্ষেত্রে তিনি সবার আগে। আর এ কারণেই এলাকাবাসীর কাছে তিনি আলাদা মর্যাদা পেয়েছেন।
স্থানীয়রা বলেন, বাবলু মোড়ল বড় নেতাদের ভিড়ে হারিয়ে যাওয়ার মানুষ নন। তিনি ছোট পরিসরে মানুষের পাশে থাকতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।
নাগরিক ভোটাধিকার বিষয়ে তিনি বরাবরই সচেতন। সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী অনিন্দ ইসলামের পক্ষে কাজ করেন।
যশোর জিলা স্কুল কেন্দ্রের সার্কিট হাউজ পাড়া বুথে ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে উল্লেখযোগ্য ভোট পড়েছে বলে জানা গেছে। প্রায় ৬৫০ ভোটের মধ্যে অধিকাংশ ভোটই ধানের শীষ প্রতীকে যায়।
এই ফলাফলে বাবলু মোড়ল ও তার সহযোদ্ধারা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। স্থানীয়দের মতে, বুথভিত্তিক ফলাফলের দিক থেকে এটি ছিল উল্লেখযোগ্য সাফল্য।
বাবলু মোড়লের জন্ম ১ জানুয়ারি ১৯৬৮। তার পিতা ছিলেন মরহুম কিনা মোড়ল এবং মাতা মরহুমা আমেনা খাতুন। দীর্ঘদিন ধরে সার্কিট হাউজ পাড়াতেই তার বসবাস।
ব্যক্তিগত জীবনে তিনি এক ছেলে ও এক মেয়ের জনক। ছেলে আব্দুর রহমান সাগর এবং মেয়ে খাদিজা বৃষ্টি—দুজনই বিবাহিত। নাতি-নাতনিদের নিয়ে তার সংসার সরগরম থাকে।
সামাজিক কর্মকাণ্ডে বাবলু মোড়ল সক্রিয়। ঈদে অসচ্ছল পরিবারের মাঝে সেমাই ও চিনি বিতরণ, শীতকালে কম্বল প্রদানসহ ছোটখাটো বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগে তাকে দেখা যায়।
এলাকার সাধারণ মানুষ মনে করেন, তিনি সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। এভাবেই সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তিনি হয়ে উঠেছেন ‘গরীবের বন্ধু’ বাবলু মামা।
নিজের অবস্থান সম্পর্কে বাবলু মোড়ল বলেন, রাজনীতির জটিলতা তিনি খুব বেশি বোঝেন না। তবে যারা সাধারণ মানুষের কষ্ট অনুভব করেন, তাদের সঙ্গেই থাকতে চান।
তিনি দক্ষিণাঞ্চলের বরেণ্য নেতা তরিকুল ইসলামের প্রতি শ্রদ্ধা প্রকাশ করে বলেন, তার আদর্শের ধারাবাহিকতায় অনিন্দ ইসলামের পাশে থাকার চেষ্টা করছেন।
বাবলু মোড়লের ভাষ্য, তিনি সব সময় চান জনপ্রতিনিধিরা যেন সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করেন। এলাকার উন্নয়ন ও মানুষের পাশে থাকা—এই দুই বিষয়কেই তিনি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন।
এসআর
মন্তব্য করুন: