চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলায় এক পিতার বিরুদ্ধে নিজের কিশোরী কন্যাকে ধর্ষণের' অভিযোগ উঠেছে।
ওই ধর্ষণের ফলে ওই স্কুল ছাত্রী চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়েছে বলে জানা গেছে।
ঘটনা জানাজানি হলে স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা অভিযুক্ত পিতার বাড়ি তালাবদ্ধ করে দিয়েছে।
ভিকটিমের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার টামটা উত্তর ইউনিয়নের চেঙ্গাছাল গ্রামের বাসিন্দা জসিম উদ্দিন (৩৮)। সে তার ১৫ বছর বয়সী কন্যাকে দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক নির্যাতন করে আসছিল।
সম্প্রতি ওই কিশোরীর শারীরিক অবস্থার পরিবর্তন লক্ষ্য করলে তার মা শিরিন আক্তার তাকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান।
সেখানে ডাক্তারি পরীক্ষায় ওই কিশোরী প্রায় চার মাসের গর্ভবতী বলে নিশ্চিত করেন।
বিষয়টি বাড়িতে জানাজানি হলে ভিকটিমের মা ও ধর্ষকের মধ্যে তুমুল ঝগড়া হয়।
এই ঘটনায় লজ্জা ও আতঙ্কে গত ৭ দিন আগে ভিকটিমকে গর্ভপাত করানোর উদ্দেশ্যে তার মা হাজীগঞ্জ থানার এনায়েতপুরে অবস্থিত নানাবাড়ি নিয়ে যান।
কিন্তু বিষয়টি স্থানীয়ভাবে চাপা না থেকে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
ভিকটিমের মামার বাড়ি থেকে উদ্ধার করে স্থানীয় ইউপি সদস্য মোশাররফ হোসেন, ওয়ার্ড বিএনপির সেক্রেটারি খোরশেদ আলম, ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি সাখাওয়াত হোসেনসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
তারা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভিকটিমের পরিবারকে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য চাপ দেন। কিন্তু পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলতে থাকলে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এলাকাবাসী। পরে বিক্ষুব্ধ লোকজন অভিযুক্ত জসিম উদ্দিনের বাড়িতে তালা ঝুলিয়ে দেয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম স্থানীয় বলশীদ মহিলা মডেল মাদ্রাসার দশম শ্রেণীর ছাত্রী। ঘটনার পর থেকে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। অভিযুক্ত পিতার গ্রেফতার ও কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। ।
উল্লেখ্য, ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরী বর্তমানে তার মায়ের তত্ত্বাবধানে রয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রক্রিয়াধীন বলেও জানা গেছে।
এসআর
মন্তব্য করুন: