[email protected] মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
৮ বৈশাখ ১৪৩৩

রমজান শুরুতেই নাসিরনগরের বাজারে নিত্যপণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী, চাপে সাধারণ মানুষ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২:২১ পিএম

ছবি - প্রতিদিনের বাংলা

পবিত্র রমজান মাসের শুরুতেই নাসিরনগর উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে।

ফলে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা, বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, কয়েক দিনের ব্যবধানে অধিকাংশ পণ্যের দাম বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে।

ক্রেতাদের অভিযোগ, প্রশাসনের তদারকি দৃশ্যমান না থাকায় ব্যবসায়ীরা ইচ্ছেমতো দাম নির্ধারণ করছেন। এ নিয়ে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও উপজেলা প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে।


বর্তমানে বাজারে লেবু প্রতি হালি বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ২০০ টাকায়। পেঁয়াজের দাম ৪০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৬০ টাকা কেজি।

বেগুন ১০০ থেকে ১৫০ টাকা, শসা ১০০ টাকা এবং কাঁচা মরিচ ২৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া রসুনের দামও আগের তুলনায় প্রায় দেড়গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।


ভোজ্যতেলের বাজারেও অস্থিরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ব্যবসায়ীদের একটি অংশ বলছেন, কয়েকটি কোম্পানির ডিলার পর্যাপ্ত সরবরাহ না দেওয়ায় বাজারে তেলের ঘাটতি তৈরি হয়েছে।

বর্তমানে একটি নির্দিষ্ট ব্র্যান্ডের সয়াবিন তেল সীমিত আকারে পাওয়া যাচ্ছে। তবে ক্রেতাদের অভিযোগ, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বাড়তি মুনাফা আদায়ের চেষ্টা করছেন।


বাজারে আসা একাধিক ক্রেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, রমজানের মতো সংবেদনশীল সময়ে পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।

তাদের ভাষ্য, “স্বল্প আয়ের মানুষ হিসেবে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ। দ্রুত বাজার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।


অন্যদিকে কয়েকজন খুচরা বিক্রেতা দাবি করেন, পাইকারি বাজারেই দাম বাড়ায় খুচরা পর্যায়ে প্রভাব পড়ছে। যদিও ক্রেতাদের একাংশ এটিকে ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের পরিকল্পিত কারসাজি বলে মনে করছেন।


স্থানীয়দের মতে, নতুন সরকার গঠনের পর বাজার পরিস্থিতিকে অস্থির করে জনমনে অসন্তোষ সৃষ্টিরও চেষ্টা থাকতে পারে। তারা বাজার মনিটরিং জোরদার, সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

এসআর

সম্পর্কিত খবর