আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নাটোর-২ (সদর ও নলডাঙ্গা) আসনে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে।
প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই মাঠে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা। এ আসনে বিএনপি ও জামায়াতসহ মোট ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, প্রার্থী সংখ্যা বেশি হলেও মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা ঘিরে রয়েছে বিএনপি ও জামায়াতকে কেন্দ্র করে।
জানা গেছে, প্রচারণার কৌশল ও সময়সূচি আগেভাগেই নির্ধারণ করে রেখেছেন প্রার্থীরা। বিভিন্ন দলের নেতাকর্মী ও ভোটারদের সঙ্গে আলাপে বোঝা যায়, দুই দলই নিজেদের অবস্থানকে শক্ত বলে মনে করছে।
বিএনপি ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি, দলীয় মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক মন্ত্রী এডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু দীর্ঘদিনের জনপ্রিয়তার কারণে এই আসনে এগিয়ে রয়েছেন।
তিনবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য হিসেবে তাঁর অভিজ্ঞতা ও জনসম্পৃক্ততা অন্য প্রার্থীদের তুলনায় তাকে সুবিধাজনক অবস্থানে রাখবে বলে তাদের বিশ্বাস।
অন্যদিকে, জামায়াত সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য, অতীত নির্বাচনের অভিজ্ঞতা এবং বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় তাদের প্রার্থী অধ্যাপক ইউনুস আলী উল্লেখযোগ্য সমর্থন পাচ্ছেন। তাদের মতে, মাঠপর্যায়ে সংগঠনের সক্রিয়তা ও স্থানীয় সমর্থন এবার ফলপ্রসূ হতে পারে।
এ আসনে আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন গণসংহতি আন্দোলনের তাহমিদা ইসলাম তানিয়া, স্বতন্ত্র প্রার্থী ড. মোঃ নূরন্নবী মৃধা, জাতীয় পার্টির রকিব উদ্দিন (কমল) এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী।
ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নির্বাচনে প্রার্থীদের ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি, অতীত কর্মকাণ্ড, উন্নয়ন, দুর্নীতির অভিযোগ, সন্ত্রাস ও দখলদারিত্বের বিষয়গুলো ভোটের ফলাফলে প্রভাব ফেলতে পারে।
পাশাপাশি নির্বাচনী ইশতেহার ও আচরণও ভোটারদের সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে
এসআর
মন্তব্য করুন: