[email protected] সোমবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২৬
৫ মাঘ ১৪৩২

১২ ফেব্রুয়ারির পর চাঁপাইনবাবগঞ্জে চাঁদাবাজির কোনো সুযোগ থাকবে না: বুলবুল

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ ৮:৫০ পিএম

সংগৃহীত ছবি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ব্যবসায়িক খাতে বিদ্যমান সংকট ও সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে তা উত্তরণের উপায় নির্ধারণে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্টস অ্যান্ড বিজনেসমেন ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন, জেলা শাখার উদ্যোগে শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সম্মেলন কক্ষে এ সভার আয়োজন করা হয়।

“চাঁপাইনবাবগঞ্জের ব্যবসায় ক্ষেত্রের সমস্যা চিহ্নিতকরণ: করণীয়” শীর্ষক এ মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের জেলা সভাপতি মো. আলাউদ্দিন।


অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর-৩ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত এমপি পদপ্রার্থী এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য নূরুল ইসলাম বুলবুল।


বিশেষ অতিথি ও আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সেক্রেটারি তরিকুল আলম মোল্লা, জেলা ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য মাওলানা আবু জার গিফারী, জেলা শাখার প্রধান উপদেষ্টা ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মোহা. লতিফুর রহমান, সংগঠনের উপদেষ্টা ও পৌরসভার সাবেক মেয়র অধ্যাপক মো. নজরুল ইসলাম, সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মো. মোখলেশুর রহমান।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের পৌর শাখার সভাপতি বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ইকবাল হোসেন, সেক্রেটারি শামসুজ্জোহা (মুকুল), জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আবু বক্কর, পৌর আমীর হাফেজ গোলাম রাব্বানী, সদর আমীর হাফেজ আব্দুল আলীম প্রমুখ। 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির পর চাঁপাইনবাবগঞ্জে আর কোনো চাঁদাবাজি চলবে না। দুর্নীতিমুক্ত, চাঁদাবাজমুক্ত ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় ব্যবসায়ীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।


তিনি বলেন, ব্যবসায়ীরা কেবল মুনাফা অর্জনের জন্য নয়, বরং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও সামাজিক স্থিতিশীলতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকেন। নতুন শিল্প ও প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে তারা লাখো মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করেন, যা বেকারত্ব হ্রাসে সহায়ক।


তিনি আরও বলেন, কর প্রদান, বিনিয়োগ ও রপ্তানি আয়ের মাধ্যমে ব্যবসায়ীরা জাতীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করেন। একই সঙ্গে দেশীয় কাঁচামালের ব্যবহার ও ক্ষুদ্র-মাঝারি উদ্যোক্তাদের সহযোগিতার মাধ্যমে আত্মনির্ভরশীল অর্থনীতি গড়ে তোলা সম্ভব।


সামাজিক দায়বদ্ধতার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, দুর্যোগকালীন সহায়তা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে অনুদান, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং নৈতিক ব্যবসাচর্চার মাধ্যমে ব্যবসায়ীরা একটি মানবিক ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারেন।


সবশেষে তিনি বলেন, দেশপ্রেম, সততা ও দায়িত্ববোধ নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করলে ব্যবসায়ীরাই হতে পারেন দেশের উন্নয়নের অগ্রসৈনিক। আসুন, আমরা সবাই মিলে একটি ন্যায়ভিত্তিক, শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলি।

এসআর

মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর